মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ইসলামী আন্দোলনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে রাজাপুর উপজেলার বাইপাস মোড় এলাকায় উপজেলার প্রধান কার্যালয়ে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামী আন্দোলন রাজাপুর উপজেলার সভাপতি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা বায়জিদ হক ফরাজি এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলার সভাপতি হাফেজ মোঃ আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন— "ইসলাম শান্তি ও ন্যায়বিচারের ধর্ম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশ ও জাতির কল্যাণে শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পবিত্র রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও সমাজ সংস্কারের শিক্ষা দেয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কোরআন-সুন্নাহর আলোকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।" ইসলামের সঠিক শিক্ষা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকে।"
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সেক্রেটারী হাফেজ মাওলানা কারী ইব্রাহিম আল হাদী। বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি রাজাপুর উপজেলা ছদর ও রাজাপুর কামিল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মুফতি আসাদুজ্জামান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজাপুর উপজেলা উপজেলা সাবেক সভাপতি মাওলানা আবু বকর, সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ হেমায়েত উদ্দীন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাবেক অর্থ সম্পাদক মাওলানা মুসা বিন কাসীম, সোহাগ জেনারেল হাসপাতাল এর চেয়ারম্যান মোঃ আহসান হাবীব সোহাগ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজাপুর উপজেলা সহ সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, মাওলানা আল আমিন দোহারী, মাওলানা আল আমিন রুম্মান গাজী, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলার সহ সভাপতি এম.আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইসহাক বিন আবদুল আউয়াল, উপজেলা সহ সভাপতি মোঃ মফিজুর রহমান।
ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পর্যায়ের ধর্মীয় নেতা, ইমাম, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা, পবিত্র রমজানের তাৎপর্য এবং ইসলামের বিধান অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
আলোচনা শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে সমাজের সকল স্তরের মানুষ যেন ইসলামের সঠিক পথে চলতে পারে এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করতে পারে, সে প্রার্থনা করা হয়। ইফতার মাহফিলটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।